কুয়েত ফ্রি ভিসা | কুয়েত কোম্পানি ভিসা ২০২২ | কুয়েত ভিসা দাম কত

    কুয়েত ফ্রি ভিসা।

    আপনারা অনেকেই ফ্রি ভিসা এর কথা শুনে থাকেন। আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব কুয়েত ফ্রি ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত। আপনারা অনেকেই জানেন না হয়তো ফ্রি ভিসা নামে কুয়েতের কোন ভিসা নেই। যা আমরা ফ্রি ভিসা নামে জানি সেটা আসলে কফিল বা মালিক তার খাদেমকে কুয়েতে আনার পর তাকে দিয়ে কি কাজ করাবে ঘরের কাজ নাকি বাইরের কাজ এসব কাজ করার প্রক্রিয়াকে ফ্রী ভিসা বলা হয়। যদি আপনি প্রতিবছর আকামা নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ করেন তবে আপনি বাইরে কাজ করার অনুমতি পাবেন এর জন্য কিছু টাকা দিতে হয় একে ফ্রি ভিসা বলা হয়ে থাকে। আপনি ঘরের কাজের পাশাপাশি বাইরের কাজ করে যে বাড়তি আয় করেন মূলত তাকেই ফ্রি ভিসা বলে।


    আপনি কি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান


    কুয়েত ভিসার দাম কত?


    আপনারা অনেকেই কুয়েতে যাবেন বলে আশা করে থাকেন। তার জন্য আপনারা কুয়েত সম্পর্কে জানার জন্য অনেক জনের সহায়তা নিন বা গুগোল ইউটিউব ইত্যাদিতে সার্চ দিয়ে দেখেন। আজকে আপনাদের কে আমরা জানাবো কুয়েত ভিসার দাম কত এর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা। আশা করি এগুলো আপনার সাহায্যে আসবে।



    আসলে কুয়েত ভিসার জন্য নরমালি 7 থেকে 8 লক্ষ টাকা নিয়ে থাকেন। কিন্তু কুয়েত ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য খরচ হয় মাত্র 30 থেকে 40 হাজার টাকার মতো। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি আমাদের কেমন খরচ হতে পারে। বিমান টিকিট, মেডিকেল এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে নির্দিষ্টভাবে হিসাব করা হলে কুয়েত ভিসার জন্য খরচ হবে মোট দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকার মতো। কিন্তু আমরা দালালের মাধ্যমে যায় বলে আমাদের অনেক টাকা বেশি খরচ করতে হয়।


    বাংলাদেশ থেকে কুয়েত ভিসা কত রকমের?


    বাংলাদেশ থেকে কুয়েত ভিসা কত রকমের এই প্রশ্নটিই আমাদের প্রায়ই করে থাকেন। আজকে আপনাদের সঙ্গে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। বাংলাদেশ থেকে যারা কুয়েতে যায় তারা যে সকল কাজ করেন তা নিচে দেওয়া হল। যেমন, রোড ক্লিনার, হসপিটাল, স্কুল ক্লিনার, মসজিদ ক্লিনার, ইত্যাদি স্থান পরিষ্কার করা। ড্রাইভিং এর কাজ করা। হোটেলে কাজ করা ইত্যাদি রকমের কাজ করে থাকেন।



    কুয়েত ড্রাইভিং ভিসা।


    দি কেউ ড্রাইভিং ক্যাটাগরিতে ভিসা নিয়ে কুড়িতে আসেন তাহলে আপনার দৈনিক ইনকাম খুব ভালো হবে এবং দ্রুত টাকা আয় করতে পারবেন। ড্রাইভিং ভিসায় চাকরি করতে হলে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। যদি কুয়েতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই বাংলাদেশী ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে এবং সেটি পরবর্তীতে কুয়েত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সার্টিফাইড করে দিলেই হয়ে যাবে।



    কুয়েত ড্রাইভিং বেতন কত?

    আপনারা হয়তো অনেকেই কুয়েতে ড্রাইভিং করার জন্য যে থাকবেন। তারা নির্দিষ্টভাবে জানেন না আপনাদের বেতন কেমন হতে পারে আজকে আপনাদের সাথে সে সম্পর্কে আলোচনা করব। ড্রাইভিং ক্যাটাগরিতে যদি আপনি চাকরি করেন তাহলে আপনাকে 8 ঘন্টা কাজ করতে হবে। যদি আপনি বাস এর ড্রাইভিং করেন তাহলে আপনার আয় হবে প্রায় 145 দিনার। আর যদি আপনি প্রাইভেট কার বা ছোট গাড়ি চালান তাহলে আপনার আয় হবে 120 থেকে 25 দিনার এর মত। আট ঘন্টা ডিউটি কিন্তু এ 8 ঘণ্টা আপনাকে দুই থেকে তিনটা শিফটে ভাগ করে দেওয়া হবে।





    কুয়েত কোম্পানি ভিসা 2022

    কুয়েত কোম্পানি ভিসা বলতে বোঝানো হয়েছে কুয়েতে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানিগুলো শ্রমিক ভিসা দিয়ে থাকে যেমন কনস্ট্রাকশন কম্পানি। এই কোম্পানিগুলো সাধারণত বিভিন্ন বিল্ডিং অথবা ওয়ার্ল্ড কাপ উপলক্ষে বিভিন্ন বিল্ডিং এর কাজের জন্য নিয়োগ দিয়ে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন তেলের কোম্পানি। অথবা তেল পাম্পে নিয়োগ দিয়ে থাকে সে দেশের কোম্পানি গুলো। বাংলাদেশ থেকে কুয়েত এ কম্পানির মাধ্যমে ভিসা নিতে পারেন তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে জেনে নিতে হবে কোন কোম্পানির ভিসা বর্তমানে প্রাণী আছে



    কুয়েত কনস্ট্রাকশন কম্পানি ভিসা


    কুয়েত কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করতে হলে আপনাকে বাংলাদেশী কোন এজেন্সির মাধ্যমে যোগাযোগ করে কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ভিসা নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রবাসী মন্ত্রণালয় এর যে সমস্ত সংস্থা রয়েছে সেগুলোর সাথে যোগাযোগ করবেন অথবা বাংলাদেশ থেকে যারা কুয়েতে গিয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলেও আপনারা এটার সমাধান পাবেন কিভাবে কনস্ট্রাকশন কম্পানি তে ভিসা পাওয়া যায় সে বিষয়ে তবে আমরা বাংলাদেশ এর সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রিত কিছু প্রতিষ্ঠান আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন নিচে তাদের ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া হল এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গেলে আপনারা যেকোনো ভিসা সমস্যার সমাধান এবং ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এই লিংকে ভিজিট করুন



    কুয়েত হোটেল কর্মী ভিসা


    বর্তমানে কুয়েত বিভিন্ন কোম্পানিতে লোক নিয়োগ দিচ্ছে সেইসাথে কনস্ট্রাকশন কম্পানি সহ তেল কোম্পানি এবং বিভিন্ন ক্লিনার পড়াও বর্তমানে হোটেল কর্মী ভিসা তে নিয়োগ দিচ্ছে। হোটেল কর্মের মাধ্যমে কুয়েতে মাসে 7 থেকে 1 লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব। হোটেল ভিসা নিতে হলে আগেই বাংলাদেশ থেকে আপনাকে কুয়েতের এম্বাসি তে আবেদন করতে হবে অথবা বাংলাদেশি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে কুয়েত এর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে



    কুয়েত হোটেল কর্মী নিশার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এর আগে অনেকেই এই বিষয়ে কাজ করেছে তারা নিশ্চিত করেছে যে হোটেল কর্মী বর্তমানে নতুন ভাবে আবার চাহিদা তৈরি হয়েছে। হোটেল কর্মীদের কাজ সাধারণত হোটেল ক্লিনার রান্না বাজারজাতকরণের জন্য হোটেল কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে কুয়েত বিভিন্ন কোম্পানি। তাই কুয়েত হোটেল কর্মী ভিসা নিয়ে খুব সহজেই সে দেশে পাড়ি জমাতে পারবেন। অন্যান্য কাজের জন্য দক্ষতা প্রয়োজন কিন্তু হোটেল কর্মীদের দক্ষতা ছাড়াই কাজে নিয়োগ হতে পারবে



    কুয়েত থেকে অন্যান্য দেশে যাওয়ার উপায়


    কুয়েত থেকে অন্যান্য দেশে যাওয়ার উপায় বর্তমানে বন্ধ আছে। কুয়েত থেকে অন্যান্য দেশে শুধুমাত্র ভিজিট ভিসা নিয়ে যাওয়া যায় তবে সেক্ষেত্রে আপনি যে কোম্পানিতে কাজ করবেন সেই কোম্পানির অনুমতি লাগবে। আপনি যদি সেই কোম্পানির অনুমতি নিতে পারেন তাহলে আপনি ভিজিট ভিসায় অন্যান্য দেশে যেতে পারবেন। আগে কুয়েত ভিসার মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন কান্ট্রিতে যাওয়ার অনুমতি ছিল। তবে বর্তমানে কোম্পানির নির্দেশনা কঠোর হয় এই সিস্টেম বন্ধ আছে


    কুয়েত অবস্থানরত বাংলাদেশী শ্রমিক সহ বিভিন্ন দেশের শ্রমিকরা সৌদি আরবে অনায়াসেই দিতে পারবে। কোম্পানির অনুমতি নিয়ে। তাছাড়া অন্যান্য আদার্স ধর্মীয় কাজে যাওয়ার অনুমতি আছে। কুয়েতের ভিসা দিয়ে আপনি সৌদি আরব সহ যে কোন দেশে আপনি যেতে পারবেন। শুধুমাত্র ভিজিট ভিসার মাধ্যম এ


    আরো পড়তে ভিজিট করুন:

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post a Comment (0)

    নবীনতর পূর্বতন