সিজারের কতদিন পর গোসল করা যায়

    সিজারের কতদিন পর গোসল করা যায়


    সিজারের পরে বাচ্চা এবং বাচ্চার মা কখন গোসল করতে পারবে এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই অনেক ধরনের প্রশ্ন জাগে তাই আজকে আমরা এই আর্টিকেল এর মধ্যে তুলে ধরব যে সিজারের কতদিন পর গোসল করা যায় এই বিষয়টা নিয়ে এবং কিভাবে গোসল করতে হবে সেই বিষয়গুলো নিয়েও বিস্তারিত ভাবে আমরা এখানে তুলে ধরব


    সিজারের ৭২ ঘন্টা পর নবজাতককে গোসল করানো যাবে। এক্ষেত্রে নরমালে কোন বাচ্চা প্রসব করে সেক্ষেত্রেও কিন্তু ৭২ ঘণ্টা পরেই পানি দিয়ে গোসল করানো যাবে। তারপরে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকে যে তাদের ক্ষেত্রে গরম পানি নাকি স্বাভাবিক পানি দিয়ে গোসল করানো যায়। তাদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে সহনীয় তাপমাত্রা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করানো যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চাকে যাতে অনেকক্ষণ পর্যন্ত গোসল করানো হয়। যদি অনেকক্ষণ পর্যন্ত গোসল করা না হয় তাহলে বাচ্চার ঠান্ডা জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।


    সুস্থ স্বাভাবিক নিয়মে গোসল করতে হবে। গোসল করানো একটা স্বাভাবিক যত্নের অংশ। বাচ্চাকে গোসল করানোর পরে একটা তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখতে হবে। তাহলে বাচ্চাটা কিছুক্ষণ গরম থাকবে তবে অনেকেই গরমকালে বাচ্চা হলে একই কাজ করেন। এটা থেকে বিরত থাকতে হবে কারণ অস্বাভাবিক ভাবে যদি গরম লেগে যায় তাহলেও কিন্তু সমস্যা দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত গেমে যেতে পারে। তাই বাচ্চার রুমের তাপমাত্রা সবসময় 25 থেকে 30 ডিগ্রি তে রাখতে হবে এসি ব্যবহার করলেও এই অবস্থায় রাখার চেষ্টা করবেন।


    সিজারের কতদিন পর গোসল করবেন

    সিজারের পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গোসল করা উচিত। স্বাভাবিকভাবে তিন সপ্তাহ পর থেকেই সিজারকারি গোসল করতে পারবে। তবে এর আগে যদি গোসল করার প্রয়োজন পড়ে তাহলে সিজারের স্থানে যাতে পানি প্রবেশ না করতে পারে এই বিষয়টা খেয়াল রেখে গোসল করতে পারবে তবে অধিক সময় ধরে গোসল করা যাবে না। যদি জ্বর অথবা ইনফেকশনজনিত সমস্যা থাকে তাহলে সাবধানতার সাথে গোসল করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে গোসল সম্পন্ন করতে হবে।


    যাদের সিজারে বাচ্চা প্রসব করা হয় তাদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক নিয়মেই গোসল করা যাবে। তবে বাচ্চা প্রসবের রাস্তা দিয়ে কোন ধরনের ব্লিডিং হতে থাকলে এক্ষেত্রে কিছু  পর্যন্ত সময় নেওয়া যায় যতদিন না পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে রক্তস্রাব বন্ধ হচ্ছে। সিজারের স্থানে কোন ধরনের সমস্যা না থাকলে পরবর্তী সময় থেকেই সে গোসল করতে পারবে।৩ সপ্তাহ পর থেকেই সিজারের পর গোসল করা যাবে তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে সিজারের স্থানে যাতে ভিজানো অবস্থায় না থাকে। এবং তাৎক্ষণিকভাবে তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। এবং চেষ্টা করতে হবে সেই স্থানে ঢেকে তারপরে গোসল করার।


    আরো পড়ুন: সিজারের কাটা শুকানোর কতদিন লাগে


    সিজারের স্থানে নিমের পাতা দিয়ে গরম পানি দিয়ে মুছে ফেলতে পারবেন এক্ষেত্রে ইনফেকশনজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এবং দৈনন্দিন গোসলের ক্ষেত্রে সিজারের রোগীকে গরম পানি দিয়ে গোসল করানো উচিত এক্ষেত্রে সহনীয় মাত্রায় গরম পানি থাকতে হবে। এভাবে যদি প্রত্যেকদিন সিজারের স্থানে গরম পানি দিয়ে ধৌত করা যায় তাহলে সিজারের কাটা শুকানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে।


    সিজারের পর গোসল করতে সাবধানতা

    সিজারের পরে অবশ্যই নবজাতক এবং নবজাতকের মা দু'জনকেই গোসলের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এ ক্ষেত্রে অধিক সময় কখনই দুজনেরই গোসল করা উচিত না। সিজারিয়ানের জন্য স্বাভাবিক নিয়মে গোসল করার ক্ষেত্রে যতটা সময় লাগে এই সময়টাই গোসলে দেওয়া উচিত এক্সট্রা ভাবে গোসলের সময় নেয়া নেয়া উচিত এক্ষেত্রে যদি মায়ের ঠান্ডা লাগে তাহলে বাচ্চার অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।


    আরো পড়ুন: সিজারের পর মিষ্টি খাওয়া যায় কিনা জেনে নিন


     সিজারের বাচ্চা কেউ দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করা যাবে না। দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করার ফলে কিন্তু বাচ্চার ঠান্ডা লাগতে পারে এবং বাচ্চাকে মুসলমান অধিক সময় ধরে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখা যাবে না এতে করে বাচ্চার গরম লাগতে পারে এবং অনেকেই আছে যারা কিনা বাচ্চাকে ভালো রাখার জন্য ফ্যান চালান না এক্ষেত্রে বাচ্চা ঘেমে গেলে কিন্তু সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। তাই বাচ্চাকে ভালো রাখার জন্য স্বাভাবিক নিয়মে 25 থেকে 30 তাপমাত্রার মধ্যে রাখা উচিত।


    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post a Comment (0)

    নবীনতর পূর্বতন