দুবাই ফ্রি ভিসা | দুবাই কোম্পানি ভিসা | দুবাই ভিসার দাম কত

    দুবাই ফ্রি ভিসা | দুবাই কোম্পানি ভিসা


    আসসালামুয়ালাইকুম বিদেশের ভিসা তথ্য নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন প্রবাসী  ভিসার তথ্য সেবা আজকের আলোচনাতে আমরা জানার চেষ্টা করব দুবাই ফ্রি ভিসা  সম্পর্কে আপনারা অনেকেই  কমেন্ট এবং ফোন কলের মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন যে দুবাই ফ্রি ভিসা কি এবং কিভাবে পাওয়া যায় আজকের সম্পূর্ণ আলোচনা দেখে দেখে দিব দুবাই ফ্রী ভিসা সম্পর্কে 


    দুবাই ফ্রি ভিসা

    প্রথমে আপনাদের ভুল ভাঙ্গিয়ে দিচ্ছি দুবাই ফ্রি ভিসা বলতে কোন কিছু নেই শুধুমাত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয় এমন না এটা কোন দেশেই নেই কিন্তু আপনারা যেটিকে ফ্রি ভিসা বলে চিহ্নিত করে থাকেন সেটি কোন না কোন কোম্পানির ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কিন্তু আমরা জানি এই ভিসা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যে কোন জায়গাতে কাজ করা যায় অথচ সকল জায়গায় কাজ করা যায় তাই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলি  আপনাদেরকে বলার চেষ্টা করছে কারণ বাংলাদেশ থেকে দালালেরা বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে এ ধরনের ফ্রী ভিসা বিক্রি করে যদি না জেনে থাকেন তাহলে এমন বিপদে পড়তে পারেন। তাছাড়াও আপনি কি বিভিন্ন ধরনের কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন সেই বিষয়টা নিচে তুলে ধরা হলো


    দুবাই ফ্রি ভিসা পাওয়ার উপায়

    অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে অনেক অসুবিধা রয়েছে আমরা প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন ধরুন আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবসা করার জন্য একটি কোম্পানির লাইসেন্স করলে আপনার কম্পানিতে ধরে নিন একটি ক্লিনিং কম্পানি আপনার কোম্পানির কাজ বিভিন্ন বাসাবাড়ি এবং প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার করা এখন আপনার কোম্পানিতে কাজ করার জন্য শ্রমিক প্রয়োজন শেষ শ্রমিক আপনি বাংলাদেশ থেকে আপনার কোম্পানিতে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন


    আপনি এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইমিগ্রেশন থেকে আবেদন করে 20 জন কর্মী নিয়োগ করার জন্য আপনার কম্পানিতে নিলেন এখন আপনি আপনার কোম্পানিতে এই 20 জন শ্রমিকের ভিসা করতে পারবেন এখন আপনি যদি এই 20 জন শ্রমিকের সঙ্গে এমন ভাবে কন্টাক করেন যে আমি শুধু তোমাদেরকে আমার কোম্পানির দুই বছরের ভিসা করে দেবো এর জন্য আপনাকে টাকা দিতে হবে আপনার ইমিগ্রেশনে যে টাকা খরচ হয়েছে 


    শ্রমিকদের কে দিয়ে দিলেন এখন এই 20 জন শ্রমিক ভিসা পাবে এবং এই ভিসা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈধভাবে অবস্থান করতে পারবেন এবং কাজ করতে পারবেন এই বিষয়গুলোকে লোকে আসলে ফ্রি ভিসা বলে এখন আমাদের সবথেকে যে বিষয়টি জানা প্রয়োজন তা হলো এই প্রক্রিয়াটিকে বৈধ কোন প্রক্রিয়াকে না এটি কখনো বৈধ করার প্রক্রিয়া নয় এটি সম্পূর্ণ অবৈধ একটি প্রক্রিয়া


    ফ্রী ভিসা কি বৈধ

    এ বিষয়ে আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো জায়গায় যে কোন কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন বৈধভাবে অবস্থান করতে পারবেন এই প্রক্রিয়াটি কেন বৈধ নয় সেটি আমি আপনাদেরকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি যেহেতু ইমিগ্রেশন আপনার কোম্পানিতে কোটা দিয়েছে এবং ভিসা করার অনুমোদন দিয়েছে শুধুমাত্র আপনার কোম্পানিতে কাজ করার জন্য আপনি যখন অন্য কোন কোম্পানিতে কাজ করতে যাবে এটি একটি অবৈধ প্রক্রিয়া হয়ে যাবে আপনি যদি অন্য কোন কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে সিআইডির হাতে ধরা পড়েন তাহলে কোম্পানির মালিক কে বিপুল পরিমাণে জরিমানা প্রদান করতে হবে সাথে আপনাকে জরিমানা দিতে হতে পারে অথবা ভিসা বাতিল করে দেয়া হতে পারে কিন্তু


    সংযুক্ত আরব আমিরাতে এমন কিছু লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি নির্দ্বিধায় কাজ করে যাচ্ছে কারণ সাধারণত সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোন কোম্পানিতে অবৈধ শ্রমিকদের ধরার জন্য পুলিশ অফিসার সিআইডির এত তৎপরতা নেই এসব হিসাব প্রচুর পরিমাণে চাহিদাও রয়েছে কারণ এসকল বিষয় অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে যেমন এই সকল হিসাবে আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখানে কাজ করতে পারবেন


     দুবাই ফ্রি ভিসাতে ইনকাম

    আপনি যে কোন কোম্পানিতে দেখে শুনে বুঝে সে কোম্পানির বেতন বুঝে যোগদান করে কাজ করতে পারবেন এসকল বিষয় নিয়ে কাজ করলে কম্পানি আপনার বেতন থেকে কোন ধরনের কোন টাকা কাটবেনা তাই অন্যদের থেকে আপনাদের উপার্জন হবে অনেক বেশি হবে কারণ আপনারা যখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোন কোম্পানির কাছ থেকে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা গ্রহণ করবেন। তখন স্বাধীন ভাবে  সকল কোম্পানি কাজ আপনার ভিসার জন্য ইমিগ্রেশনের টাকা তারা নিজেরা প্রদান করেএবং পরবর্তীতে আপনাদের বেতন থেকে আস্তে আস্তে কেটে দেয় আর এটা সম্ভব হয়েছে যেহেতু সম্পূর্ণ খরচ আপনি নিজে বহন করেছেন তাই আপনার বেতন থেকে কোন ধরনের কোন টাকা কাটা হবে না


    দুবাই টুরিস্ট ভিসা ২০২২ | দুবাই ফ্রি ভিসা

     প্রথমে আপনাকে বাংলাদেশ থেকে ভিজিট ভিসার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে হবে এরপরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যে সকল কোম্পানির ভিসা বিক্রি করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নিকট হতে আপনাকে ভিসা করে করতে হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পরে এক বা দুই বছরের ভিসা আপনি একসঙ্গে পেয়ে যাবেন দুই বছর পরে আবার আপনাকে টাকা খরচ করে ভিসা গ্রহণ করতে হবে এ সকল ভিসা গ্রহণকারী একজন শ্রমিক প্রতিমাসে 50 হাজার টাকা থেকে 2 লক্ষ টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হয় 


    দুবাই ফ্রি ভিসার খরচ

    অনেকেরই জানার বিষয় কি পরিমান টাকা খরচ হতে পারে এখানে অনেকগুলো খরচ একসঙ্গে যুক্ত করতে হবে আপনাদেরকে যেমন প্রথমে বাংলাদেশ থেকে ভিজিট ভিসায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেতে হবে  যার খরচ  যে কোম্পানি থেকে আপনি বিষয়টি ক্রয় করবেন সে কোম্পানির মালিক কে ভিসা বাবদ সকল টাকা প্রদান করতে হবে এবং সাথে থাকে লভ্যাংশ দিতে হবে


    সাধারণত সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসকল ভিসার খরচ 10,000 আমিরাতের দিরহাম পর্যন্ত বিক্রি হয়কারণ কোম্পানির মালিক কে এসকল ভিসা করার জন্য ইমিগ্রেশনে 6 থেকে 7 হাজার দিরহাম পর্যন্ত খরচ করতে হয় আপনাদেরকে আরও সহজ করে বলি আপনাদেরকে বাংলাদেশ থেকে গিয়ে সেখানকার দুই বছরের ভিসা গ্রহণ করতে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ টাকা পর্যন্ত আপনাকে গুনতে হতে পারে 


    দুবাই ফ্রি ভিসা তে কি কি কাজ করতে পারবেন

    উপরোক্ত মাধ্যমে আপনি ভিসা পাবার পরে আপনি দুবাইতে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি অথবা ক্লিনার পদে চাকরি করতে পারবেন অথবা এই ভিসার মাধ্যমে আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে সেখানে ডাইভিং এর কাজও করতে পারবেন এবং আপনি চাইলে বাসাবাড়িতে ক্লিনিং অথবা শেফএর কাজও করতে পারবেন এবং আপনারা এখানে বিভিন্ন চুক্তি তে কাজ করতে পারেন এখানে মান কিভাবে চুক্তিতেও কাজ করা যায় অথবা ঘণ্টা চুক্তিতে কাজ করা যায় এখানে মিনিমাম কোম্পানি অনুযায়ী 8 ঘন্টা কাজ করা লাগে 


    দুবাই কোম্পানি ভিসা

    দুবাই কম্পানি ভিসার মাধ্যমে আপনারা তেল কোম্পানি অথবা কনস্ট্রাকশন কম্পানি গুলোতে কাজ করতে পারেন তাছাড়াও এখানে চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে আপনি মান্থলি অথবা ঘণ্টা চুক্তিতে করতে পারবেন তাছাড়া আপনি বাসাবাড়িতে এবং মসজিদে ক্লিনার পদে চাকরি করতে পারবেন এটার জন্য বিভিন্ন কোম্পানির লোক নিয়োগ দিয়ে থাকে তাই তাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনি ক্লিনার পদে ভিসা নিতে পারবেন 


    দুবাই ভিসার দাম কত 

    দুবাই ভিসা বলতে যেটা বুঝানো হয়েছে সেটার দাম পড়বে হচ্ছে 10 হাজারের মতো এটা অন্যান্য যারা করে থাকে তাদের খরচ হয়ে থাকে সাত থেকে আট হাজার দিরহাম তাই তারা কিছুটা লাভ নিয়ে 10000 দিরহামে বিক্রি করে থাকে তাই উপরোক্ত অনুযায়ী 10 হাজার দিরহাম ধরা হয়েছে 


    দুবাই টুরিস্ট ভিসা ২০২২

    বাংলাদেশ থেকে আপনাকে প্রথমে টুরিস্ট ভিসায় দুবাইতে যাওয়া লাগবে তারপরে 21 বছর থাকার পরে বাইরে মাঝখানে আপনি কোম্পানি বাবার পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং এটা আবেদন করার পড়ে আপনি ওই কোম্পানিতে কাজ না করলে অন্যান্য কোম্পানিতে জয়েন করে সেখানে কাজ করতে পারবেন এই মাধ্যমে আপনি পাবেন 


    দুবাই ভিজিট ভিসা প্রসেসিং 

    বাংলাদেশ দূতাবাসে আপনি ভিজিট ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন এবং এই বিস্তার নিয়ে আপনি দুবাইতে যাওয়ার পরে আপনার কাঙ্খিত ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং আবেদন কার্যক্রম শেষ হলে আপনি আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো কোম্পানি অথবা বাসাবাড়িতে কাজ করার সুযোগ পাবেন 


    দুবাই ড্রাইভিং ভিসা

    দুবাই ড্রাইভিং ভিসা তে কাজ করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশ থেকে ড্রাইভিং এর উপর দক্ষতা অর্জন করে সেখানে কাজের জন্য যেতে হবে। বর্তমানে ড্রাইভিং ভিসার চাহিদা দুবাইতে অনেকটাই বেশি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ থেকে ভিসা করার বা ভিসা আবেদন করার আগ মুহূর্তে আপনাকে ড্রাইভিং দক্ষতা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন তা না হলে ড্রাইভিং কাজের উপর কোন ভিসার জন্য আপনি আবেদন করতে পারবেন না। তাই ডাইভিং আগে শিখে নিতে হবে আপনাকে এবং ডাইভিং লাইসেন্স অবশ্যই থাকতে হবে। এবং আপনার বয়স 21 হতে হবে যত ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স টি আপনি পেতে পারেন


    দুবাই যাওয়ার জন্য কোথায় ট্রেনিং নিবেন

    বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনাকে বিদেশ যাওয়ার জন্য দক্ষ করে তুলবে ভাষা এবং কাজের প্রতি তারা দক্ষতা অর্জন করিয়ে দেয়। তাইলে আপনি সে সমস্ত জায়গা গুলো যোগাযোগ করে দক্ষতা অর্জন করে নিতে পারেন আপনি যেই কাজের জন্য ভিসা নিবেন সেই কাজের প্রতি দক্ষতা তারা তৈরি করে দিবে। যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায়ে গুলোতে অথবা জেলা পর্যায়ে গুলোতে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার  রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার জন্য আপনাকে দক্ষ তৈরি করে তুলবে। টিটিসি সেন্টারগুলোতে আপনি ড্রাইভিং সহ বিভিন্ন কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন


    কোন কাজ গুলোর প্রতি ট্রেনিং নিবেন

    দুবাই যাওয়ার জন্য ট্রেনিং নেওয়া টা অবশ্যই জরুরি কেননা ট্রেনিং নিলে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ থাকে এবং নিজেও দক্ষতা অর্জন করা যায় তাই আপনি যদি এই দেশ থেকে যেকোনো একটি কাজের ওপর ট্রেনিং নিয়ে সেখানে পাড়ি জমান তাহলে আপনার বেতন ও বেশি পাবেন এবং কম্পানি আপনার ওপর আলাদা ভাবে নজর রাখবে এবং পরবর্তীতে আপনাকে সুযোগ সুবিধা বেশি দেওয়ার চেষ্টা করবে তাই অবশ্যই যে কোন একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী অবশ্যই ট্রেনিং নিয়ে তারপরে বিদেশে পাড়ি জমাবেন।


    বিদেশে যে সমস্ত কাজের চাহিদা বেশি সেই সমস্ত কাজ গুলোর প্রতি আপনাকে দক্ষতা অর্জন করা লাগবে আর সর্বোপরি ভাষার দক্ষতা অবশ্যই থাকা লাগবে আপনি যদি ভাষার দক্ষতা তৈরি করে নিতে পারেন তাহলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি সহ অন্যান্য কোম্পানির সাথে ভালো মতো যোগাযোগ করে আপনি নতুন নতুন কাজের সুযোগ তৈরী করতে পারবেন এমনকি আপনার নিজের চাহিদা ও তাদেরকে বুঝাতে পারবেন। তাই অবশ্যই সর্বদা চেষ্টা করবেন ভাষার দক্ষতা তৈরি করতে


    আর যে সমস্ত কাজগুলোতে বেশি বেতন এবং ডিমান্ড বেশি সে সমস্ত কাজগুলোতে দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টা করবেন যেমন বিদেশে ড্রাইভিং এর গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয় অথবা রান্নার কাজ সহ বিভিন্ন অফিশিয়াল কাজ রয়েছে যেমন কম্পিউটার অপারেটর সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে এই সমস্ত কাজগুলোতে দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টা করবেন এতে করে আপনার জবের পার্মানেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই থাকে এমন কি আপনাকে ফ্যামিলি ভিসা সহ অন্যান্য ভিসা দিয়ে আপনাকে সে দেশে তারা নিয়ে যেতেও পারে তাই অবশ্যই দক্ষতা থাকলে আপনি যেকোন জায়গায় আপনাকে প্রমাণ করতে পারবেন

    ভিডিওর মাধ্যমে দেখে আসুন



    আরো পড়তে ভিজিট করুন:

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post a Comment (0)

    নবীনতর পূর্বতন