মুখের ঘা এর ঔষধের নাম | জিহ্বায় ঘা এর ঔষধ এর নাম | মুখে ঘা দূর করার উপায়

    মুখের ঘা এর ঔষধের নাম | জিহ্বায় ঘা এর ঔষধ এর নাম


    মুখের ঘা একটি অস্বস্তিকর একটি বিষয়। এ সমস্যায় অনেকেরই মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে তবে এ সমস্যা হওয়ার কিছু নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে মুখে ঘা হয়ে থাকে তাই আজকে আমরা কথা বলবো মুখে ঘা কি কারনে হয় এবং মুখের ঘা দূর করার উপায় এবং মুখের ঘা এর ঔষধের নাম তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক পর্যায়ক্রমে মুখের ঘা এর ঔষধের নাম কি এবং কি কারণে হয়ে থাকে। 


    বিভিন্ন ভিটামিনের অভাবে  মুখে বা মুখের ভেতরের জিভে ঘা হতে পারে। তবে যাদের ঘা হয় তাদের মাঝে মাঝে এই সমস্যাটা দেখা দেয় খেতে গেলে সমস্যা হয়। এতে শরীরের জন্য অনেকটা ক্ষতি হয়ে পড়ে তাই চলুন পর্যায়ক্রমে দেখে নেওয়া যাক কি কি কারণে হয়ে থাকে এবং কোন শক্তি ভালো কাজে দেয়


    মুখের ঘা এর ঔষধের নাম

    মুখে ঘা ও অস্বাভাবিক ব্যথা থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ মতে  Benzocaine gels, Carmellose Sodium যুক্ত পেস্ট ও জেল মুখে লাগাতে পারেন। এবং এটি Chlorhexidine Mouthwash মাউথ অয়াশ মুখের ব্যথা দূর করতে করে ঘা শুকাতে সাহায্য করে থাকে। বাজারে Bongel Cream, Viodin Mouthwash, Riboflabin পাওয়া যায়, যেটা মুখের ঘা এর জন্য ভালো এই টিমগুলোর মাধ্যমে মুখের ঘা দূর করে এবং ব্যথা দূর করে।


    জিহ্বায় ঘা এর ঔষধ এর নাম

    বাজারে Bongel Cream, Viodin Mouthwash, Riboflabin পাওয়া যায় মুখের ঘা এর জন্য। এই ক্রিমটি মুখের ঘা বা যিহোবার ভাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্রিম এটাতে মুখের ঘা দূর করতে এবং জব্বার ব্যথা অথবা ঘা দূর করতে খুবই ভাল একটি ক্রিম। তাই যাদের মুখে ঘা আছে তারা এই ক্রিমটি এর যেকোনো একটি ব্যবহার করলে মুখের ঘা দূর হয়ে যাবে।


    মুখের ঘা এর জেল নাম

     Benzocaine gels, Carmellose Sodium যুক্ত পেস্ট ও জেল মুখে লাগাতে পারেন। এতে করে মুখের জ্বালাপোড়া এবং ঘা দ্রুত সেরে যাবে। এই সময়ে 20 থেকে 30 শতাংশ মানুষেরই এই সমস্যা হয়ে থাকে তাই এই দুইটি জেল এর মাধ্যমে মুখের ঘা দূর করতে পারবেন। এই জেল টি নিয়মিত ব্যবহার করলেই ঘা এবং জ্বালাপোড়া মাত্রা অনেকটাই কমে যাবে খুব দ্রুত। এখানে দুইটি জেলের কথা উল্লেখ আছে আপনি যেকোনো একটি ব্যবহার করলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।


    বাচ্চাদের মুখের ঘা এর ওষুধের নাম

    যে সমস্ত বাচ্চাদের মুখে ঘা হয়ে থাকে তাদের জন্য মধু ব্যবহার করা উচিত মধু জীবানুনাশক কাজ করে থাকে। এক থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের মুখে যদি খাওয়া হয় তাহলে মধু ব্যবহার করার সবথেকে উত্তম পদ্ধতি এবং এটি সব থেকে কার্যকর দাওয়াই। এবং শিশুদের মুখের আলসার চিকিৎসার জন্য হলুদ ব্যবহার করতে পারেন এতে করে হলুদ রয়েছে এন্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিসেপটিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য উপাদান। সব ধরনের ক্ষত নিরাময় করে থাকে।


    তাছাড়াও নারিকেল তেল দিয়ে গার্গল করলে ব্যথা কমবে। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে নারকেল তেল ব্যবহার করলে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই ক্ষতস্থানে নারিকেল তেল লাগিয়ে দিলে ব্যথা বা জ্বালা পোড়ার মাত্রা কমে যাবে। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মুখে ঘা হলে আরো তিনটি ব্যবহার করে সবথেকে ভালো এবং কার্যকরী দাওয়াই।


    বাচ্চাদের মুখে ঘা হলে তুলসির পাতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে সমস্ত বাচ্চাদের মুখে ঘা রয়েছে সে সমস্ত বাচ্চাদের মুখে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস ঘষে দিলেই আস্তে আস্তে কমে যাবে এবং জ্বালাপোড়ার মাত্রাও কমে যাবে। তাই ক্ষতস্থানে তুলসী পাতার রস ব্যবহার করায় সবথেকে উত্তম এতে করে বাচ্চা ঘা দ্রুত সেরে যাবে।

     

    মুখে ঘা হলে কি খেলে ভালো হয়

    অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন যে মুখে ঘা হলে কি খেলে ভালো হয়। তাই আজকে আমরা সমাধান দিব মুখে ঘা হলে কি কি খেতে পারবেন এবং কোন খাবারগুলো খেলে খুব সহজেই মুখের ঘা দূর হয়ে যাবে তাহলে চলুন পর্যায়ক্রমে দেখে নেওয়া যাক মুখের ঘা দূর করার জন্য কি কি পন্থা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং কোন বিষয়গুলো ব্যবহার করতে হবে।


    কয়েকটি তুলসী পাতা যদি আপনি একসঙ্গে তুলে ভালোমতো ধুয়ে রসালো করে যিহোবার ঠোঁটের যেকোনো জায়গায় যদি ক্ষতস্থান বাঘা হয়ে থাকে সে সমস্ত স্থানে যদি লাগিয়ে দেন তাহলে মুখের ঘা বা যিহোবার কাটা অংশ খুব দ্রুত সেরে যাবে। তাই তুলসীপাতা অত্যন্ত কার্যকরী একটি পাতা যা মুখের ঘা দূর করতে সহায়তা করে।


    মুখে ঘা হলে নারিকেল তেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে যাদের মুখে ঘা আছে তারা দিনে তিন থেকে চার বারের মত ক্ষত স্থানে নারিকেল তেলের সঙ্গে হালকা পরিমাণ দুধ মিশিয়ে ক্ষতস্থানে লাগালেই এবং আলতো করে মালিশ করে লাগালে ক্ষতস্থান দ্রুত সেরে যাবে এবং জ্বালাপোড়া কমে যাবে। তাই নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ক্ষতস্থানে দিনে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলেই দ্রুত মুখের ঘা সেরে যায়।


    মুখে ঘা দূর করার উপায়

    মুখের ঘা দূর করার উপায় অনেক ভাবেই আছে তার মধ্যে নারিকেল তেল এবং তুলসী পাতার ব্যবহার ঠিকঠাক ভাবে করতে হবে। যাদের মুখে অতিরিক্ত ঘা হয়ে থাকে তারা নারিকেল তেল এবং দুধ মিশিয়ে সেই ঘা এর স্থানে লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ফলাফল পাওয়া যায়। এবং যদি বেশি মাত্রায় ঢাকা থাকে তাহলে তুলসী পাতা ব্যবহার করায় সবথেকে ভালো হবে এবং এটি দিনে তিন থেকে চার বারের মত যদি ক্ষতস্থানে তুলসী পাতার রস লাগানো যায় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়।


    মুখে ঘা কোন ভিটামিনের অভাবে হয়

    মুখের ঘা ভিটামিন b2 এর অভাবে হয়ে। যাদের শরীরে ভিটামিন বি টুয়েলভ অভাব রয়েছে তাদের মুখের ঘা মাঝেমধ্যেই হতে পারে তাই বিটু যুক্ত খাবার গুলো বেশি বেশি খাওয়া উচিত।  মুখের ফাটল ফাটল যিহোবা গলায় ঘা সবগুলোই ভিটামিন বি টু এর অভাবে হয়ে থাকে।


    মুখে ঘা এর এন্টিবায়োটিক

    মুখের ঘা বা আলসার নিরাময়ের জন্য উত্তম চিকিৎসা প্রাচীন এবং এন্টিমাইক্রোবিয়াল মাউথওয়াশ ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর ঘাটতি পূরণ করে এবং নির্দিষ্ট জায়গায় যন্ত্রণা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। মুখের ঘা এর প্রতিষেধক হিসাবে ভিটামিন b2 যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন এতে ফলিক অ্যাসিড যুক্ত কোন খাবার খাওয়া প্রয়োজন।


    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    Post a Comment (0)

    নবীনতর পূর্বতন